১. 'সুখু আর দুখু' গল্পটির লেখকের নাম কী?
(ক) কাজী নজরুল ইসলাম
(খ) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
(গ) জসীমউদ্দীন
(ঘ) শামসুর রাহমান
উত্তর: (খ) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।
ব্যাখ্যা: পাঠ্যবইয়ে গল্পটির লেখকের নাম দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার দেওয়া আছে।
২. তাঁতির বড়ো মেয়ের নাম কী?
(ক) দুখু
(খ) সুখু
(গ) পারুল
(ঘ) বকুল
উত্তর: (খ) সুখু।
ব্যাখ্যা: গল্পে বলা হয়েছে, বড়ো মেয়ের নাম সুখু।
৩. ছোটো মেয়ের নাম কী ছিল?
(ক) সুখু
(খ) মিনা
(গ) দুখু
(ঘ) রাজকুমারী
উত্তর: (গ) দুখু।
ব্যাখ্যা: তাঁতির ছোটো মেয়ের নাম দুখু।
৪. কে ঘরের কোনো কাজ করত না?
(ক) দুখু
(খ) তাঁতি
(গ) বুড়ি
(ঘ) সুখু
উত্তর: (ঘ) সুখু।
ব্যাখ্যা: সুখু শুধু বসে বসে খেত, কোনো কাজ করত না।
৫. দুখু সময় পেলে বাবার জন্য কী করত?
(ক) রান্না করত
(খ) সুতা কেটে দিত
(গ) বাজারে যেত
(ঘ) ঘুমাতে যেত
উত্তর: (খ) সুতা কেটে দিত।
ব্যাখ্যা: দুখু অবসর সময়ে সুতা কাটার কাজ করত।
৬. দুখু উঠানে বসে কী রোদে দিচ্ছিল?
(ক) ধান
(খ) তুলা
(গ) চাল
(ঘ) জামাকাপড়
উত্তর: (খ) তুলা।
ব্যাখ্যা: একদিন দুখু তুলা রোদে দিয়ে উঠানে বসেছিল।
৭. দুখুর তুলা কীসে উড়িয়ে নিয়ে গেল?
(ক) পাখিতে
(খ) দমকা বাতাসে
(গ) চোরে
(ঘ) বৃষ্টিতে
উত্তর: (খ) দমকা বাতাসে।
ব্যাখ্যা: হঠাৎ দমকা বাতাস এসে তুলা উড়িয়ে নিল।
৮. তুলা উড়ে যাওয়ায় দুখু কী করল?
(ক) হাসতে লাগল
(খ) কাঁদতে লাগল
(গ) দৌড়াতে লাগল
(ঘ) ঘুমাতে গেল
উত্তর: (খ) কাঁদতে লাগল।
ব্যাখ্যা: দুখু মনের দুঃখে কাঁদতে শুরু করল।
৯. বাতাস দুখুকে কোথায় যেতে বলল?
(ক) নদীর কাছে
(খ) তার সাথে
(গ) বাজারে
(ঘ) বাড়িতে
উত্তর: (খ) তার সাথে।
ব্যাখ্যা: বাতাস বলল, "আমার সাথে এসো, তোমাকে তুলা দেবো।"
১০. বাতাসের পিছু পিছু যেতে প্রথমে কার সাথে দুখুর দেখা হলো?
(ক) ঘোড়ার
(খ) বুড়ির
(গ) কলাগাছের
(ঘ) কুকুরের
উত্তর: (গ) কলাগাছের।
ব্যাখ্যা: সবচেয়ে প্রথমে একটি কলাগাছের সাথে তার দেখা হয়।
১১. কলাগাছ দুখুকে কী অনুরোধ করল?
(ক) পানি দিতে
(খ) লতাপাতা সরিয়ে দিতে
(গ) ফল পেড়ে দিতে
(ঘ) ছায়া দিতে
উত্তর: (খ) লতাপাতা সরিয়ে দিতে।
ব্যাখ্যা: কলাগাছ বলল তাকে অনেক লতাপাতা ঘিরে ধরেছে।
১২. খানিক দূর যেতেই দুখুকে কে ডাকল?
(ক) গরু
(খ) বুড়ি
(গ) ঘোড়া
(ঘ) বাঘ
উত্তর: (গ) ঘোড়া।
ব্যাখ্যা: কলাগাছের পর ঘোড়া দুখুকে ডেকেছিল।
১৩. ঘোড়া দুখুর কাছে কী চাইল?
(ক) কচি ঘাস
(খ) পানি
(গ) খড়
(ঘ) তুলা
উত্তর: (ক) কচি ঘাস।
ব্যাখ্যা: ঘোড়া দুখুকে কিছু কচি ঘাস দিতে বলল।
১৪. দুখু যে বাড়িটিতে পৌঁছাল তার রং কেমন ছিল?
(ক) লাল
(খ) ধবধবে সাদা
(গ) নীল
(ঘ) হলুদ
উত্তর: (খ) ধবধবে সাদা।
ব্যাখ্যা: গল্পে বলা হয়েছে, সে ধবধবে সাদা একটা বাড়িতে হাজির হলো।
১৫. বাড়ির দাওয়ায় বসে বুড়ি কী করছিল?
(ক) গান গাইছিল
(খ) রান্না করছিল
(গ) চরকা কাটছিল
(ঘ) ঘুমাচ্ছিল
উত্তর: (গ) চরকা কাটছিল।
ব্যাখ্যা: বুড়ি ঘরের বারান্দা বা দাওয়ায় চরকা কাটছিল।
১৬. বুড়ির চুলগুলো কেমন ছিল?
(ক) সোনার মতো
(খ) দুধের মতো সাদা
(গ) কুচকুচে কালো
(ঘ) রুপার মতো
উত্তর: (খ) দুধের মতো সাদা।
ব্যাখ্যা: বুড়ির চুল ছিল দুধের মতো সাদা।
১৭. বুড়ি দুখুকে প্রথমে কী করতে বলল?
(ক) তুলা নিতে
(খ) পুকুরে ডুব দিয়ে আসতে
(গ) খাবার খেতে
(ঘ) ঘুমিয়ে নিতে
উত্তর: (খ) পুকুরে ডুব দিয়ে আসতে।
ব্যাখ্যা: বুড়ি তাকে কাপড় ও গামছা নিয়ে পুকুরে ডুব দিতে বলেছিল।
১৮. দুখু স্নান করার জন্য কেমন গামছা ও কাপড় নিয়েছিল?
(ক) সবচেয়ে দামি
(খ) সাধারণ
(গ) ছেঁড়া
(ঘ) ময়লা
উত্তর: (খ) সাধারণ।
ব্যাখ্যা: দুখু লোভ না করে সাধারণ গামছা ও কাপড় নিয়েছিল।
১৯. পুকুরে ডুব দেওয়ার পর দুখুর কী হলো?
(ক) সে ডুবে গেল
(খ) তার গা সোনার গয়নায় ভরে গেল
(গ) সে কালো হয়ে গেল
(ঘ) তার জ্বর এলো
উত্তর: (খ) তার গা সোনার গয়নায় ভরে গেল।
ব্যাখ্যা: একটা ডুব দিতেই তার গা গয়নায় ভরে যায়।
২০. খাবার ঘরে গিয়ে দুখু কী খেল?
(ক) পায়েস
(খ) পিঠা
(গ) পান্তা ভাত
(ঘ) বিরিয়ানি
উত্তর: (গ) পান্তা ভাত।
ব্যাখ্যা: অনেক মজার খাবার থাকলেও দুখু লোভ না করে পান্তা ভাত খেল।
২১. দুখু কীসে করে তুলা ভরে নিল?
(ক) পলিথিনে
(খ) থলেতে
(গ) প্যাটরায়
(ঘ) বালতিতে
উত্তর: (গ) প্যাটরায়।
ব্যাখ্যা: দুখু ছোট বাক্স বা প্যাটরায় তুলা ভরে নিল।
২২. দুখু কী পরিমাণ তুলা নিল?
(ক) এক বস্তা
(খ) যতটুকু বাতাস উড়িয়ে নিয়েছিল
(গ) পুরো ঘর খালি করে
(ঘ) একটুও না
উত্তর: (খ) যতটুকু বাতাস উড়িয়ে নিয়েছিল।
ব্যাখ্যা: সে লোভ না করে তার নিজের তুলাই নিল।
২৩. ফেরার পথে ঘোড়া দুখুকে কী দিল?
(ক) সোনার গয়না
(খ) পঙ্খিরাজ ঘোড়ার বাচ্চা
(গ) কচি ঘাস
(ঘ) টাকা
উত্তর: (খ) পঙ্খিরাজ ঘোড়ার বাচ্চা।
ব্যাখ্যা: উপকারের প্রতিদানে ঘোড়া এই উপহার দিল।
২৪. কলাগাছ দুখুকে কী উপহার দিল?
(ক) এক কাঁদি কলা
(খ) মস্ত এক ছড়া সোনার কলা
(গ) কলাপাতা
(ঘ) রুপার কলা
উত্তর: (খ) মস্ত এক ছড়া সোনার কলা।
ব্যাখ্যা: কলাগাছ তাকে সোনার কলা দিয়েছিল।
২৫. দুখুকে সোনার গয়নায় দেখে কার লোভ হলো?
(ক) তাঁতির
(খ) প্রতিবেশীর
(গ) সুখুর
(ঘ) বুড়ির
উত্তর: (গ) সুখুর।
ব্যাখ্যা: সুখু গয়না দেখে নিজেই বুড়ির কাছে যাওয়ার লোভ করল।
২৬. সুখু যখন চরকা কাটতে বসল তখন কী হলো?
(ক) বৃষ্টি এলো
(খ) জোরে বাতাস এলো
(গ) সে ঘুমিয়ে পড়ল
(ঘ) দুখু এলো
উত্তর: (খ) জোরে বাতাস এলো।
ব্যাখ্যা: বাতাস এসে সুখুর তুলা উড়িয়ে নিয়ে গেল।
২৭. কলাগাছ ডাকলে সুখু কী উত্তর দিল?
(ক) লতাপাতা সরিয়ে দেব
(খ) আমার সময় নেই
(গ) আমি ঘাস দেব
(ঘ) আমাকে কলা দাও
উত্তর: (খ) আমার সময় নেই।
ব্যাখ্যা: সুখু চরম অবজ্ঞা করে এ কথা বলেছিল।
২৮. ঘোড়া ডাকলে সুখু কী বলল?
(ক) তোমার কথা শুনতে আমার বয়েই গেছে
(খ) আমি ঘাস আনছি
(গ) আমাকে ঘোড়া দাও
(ঘ) আমি যাব না
উত্তর: (ক) তোমার কথা শুনতে আমার বয়েই গেছে।
ব্যাখ্যা: সুখু কঠিন গলায় এই উত্তর দেয়।
২৯. বুড়ির বাড়ি গিয়ে সুখু বুড়িকে কী বলল?
(ক) কেমন আছ বুড়ি মা
(খ) তুই বসে বসে কী করছিস, আগে আমার জিনিস দে
(গ) আমাকে তুলা দাও
(ঘ) আমাকে খাবার দাও
উত্তর: (খ) তুই বসে বসে কী করছিস, আগে আমার জিনিস দে।
ব্যাখ্যা: সে বুড়ির সাথে খুব বাজে ব্যবহার করল।
৩০. সুখুর কথা শুনে বুড়ি কী পেল?
(ক) আনন্দ
(খ) ভয়
(গ) মনে কষ্ট
(ঘ) হাসি
উত্তর: (গ) মনে কষ্ট।
ব্যাখ্যা: সুখুর অভদ্র আচরণে বুড়ি কষ্ট পায়।
৩১. সুখু স্নান করতে যাওয়ার সময় কেমন কাপড় ও গামছা নিল?
(ক) সাধারণ
(খ) ছেঁড়া
(গ) সবচেয়ে দামি
(ঘ) পুরোনো
উত্তর: (গ) সবচেয়ে দামি।
ব্যাখ্যা: সুখুর খুব লোভ ছিল, তাই সে দামিগুলো নিল।
৩২. সুখু কেন পুকুরে বেশি বেশি ডুব দিল?
(ক) ভালো করে স্নান করতে
(খ) বেশি বেশি গয়না পাওয়ার লোভে
(গ) গরম লাগছিল বলে
(ঘ) কেউ তাকে বলেছে তাই
উত্তর: (খ) বেশি বেশি গয়না পাওয়ার লোভে।
ব্যাখ্যা: সে ভাবল বেশি ডুব দিলে বেশি গয়না মিলবে।
৩৩. বারবার ডুব দেওয়ার পর সুখুর কী হলো?
(ক) গয়নায় ভরে গেল
(খ) সে ডুবে গেল
(গ) তার সারা শরীর চুলকাতে লাগল
(ঘ) সে সুন্দর হয়ে গেল
উত্তর: (গ) তার সারা শরীর চুলকাতে লাগল।
ব্যাখ্যা: লোভের কারণে তার শরীর চুলকাতে শুরু করল।
৩৪. কথা বলার সময় সুখুর গলা দিয়ে কেমন আওয়াজ বের হলো?
(ক) মিষ্টি আওয়াজ
(খ) চন্দ্রবিন্দুযুক্ত নাকিস্বর (আঁমাঁর সাঁরী শরীর...)
(গ) কান্নার আওয়াজ
(ঘ) হাসির আওয়াজ
উত্তর: (খ) চন্দ্রবিন্দুযুক্ত নাকিস্বর।
ব্যাখ্যা: তার কথা বলার স্বর বিকৃত হয়ে গিয়েছিল।
৩৫. বুড়ির খাওয়ার ঘরে কী কী খাবার ছিল?
(ক) শুধু পান্তা ভাত
(খ) পায়েস, পিঠা আর ভালো ভালো খাবার
(গ) ফলমূল
(ঘ) বিরিয়ানি
উত্তর: (খ) পায়েস, পিঠা আর ভালো ভালো খাবার।
ব্যাখ্যা: বুড়ির ঘরে মজার মজার খাবার ছিল।
৩৬. সুখু কীভাবে খাবার খেল?
(ক) আস্তে আস্তে
(খ) অল্প একটু
(গ) গপ গপ করে পেট ঢোল করে
(ঘ) না খেয়ে চলে গেল
উত্তর: (গ) গপ গপ করে পেট ঢোল করে।
ব্যাখ্যা: সে অত্যন্ত লোভীর মতো খাবার খেয়েছিল।
৩৭. সুখু তুলার ঘর থেকে কেমন তুলা নিল?
(ক) অল্প একটু
(খ) বিশাল এক প্যাটরা ভরে ইচ্ছামতো
(গ) বাতাস যতটুকু উড়িয়েছে ততটুকু
(ঘ) কোনো তুলাই নেয়নি
উত্তর: (খ) বিশাল এক প্যাটরা ভরে ইচ্ছামতো।
ব্যাখ্যা: সে লোভের বশবর্তী হয়ে অনেক তুলা নেয়।
৩৮. বিশাল প্যাটরা কাঁধে নেওয়ায় সুখুর কী হলো?
(ক) সে কুঁজো হয়ে গেল
(খ) সে লম্বা হয়ে গেল
(গ) সে পড়ে গেল
(ঘ) তার জ্বর হলো
উত্তর: (ক) সে কুঁজো হয়ে গেল।
ব্যাখ্যা: ভারী বোঝার কারণে সে সোজা হয়ে হাঁটতে পারছিল না।
৩৯. ফেরার পথে ঘোড়া সুখুকে কী করল?
(ক) পিঠে চড়াল
(খ) একটা লাথি দিল
(গ) পঙ্খিরাজ ঘোড়া দিল
(ঘ) ঘাস খেতে দিল
উত্তর: (খ) একটা লাথি দিল।
ব্যাখ্যা: যাওয়ার পথে অবজ্ঞা করায় ঘোড়া তাকে লাথি মারে।
৪০. ঘোড়ার লাথি খেয়ে সুখু কীভাবে হাঁটতে লাগল?
(ক) সোজা হয়ে
(খ) দৌড়ে
(গ) ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে
(ঘ) লাফাতে লাফাতে
উত্তর: (গ) ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে।
ব্যাখ্যা: পায়ে আঘাত পাওয়ায় সে খুঁড়িয়ে হাঁটতে লাগল।
৪১. কলাগাছ সুখুকে কী করল?
(ক) সোনার কলা দিল
(খ) ছায়া দিল
(গ) একটা বড়ো পাতা তার মাথায় ভেঙে পড়ল
(ঘ) পথ আটকে দিল
উত্তর: (গ) একটা বড়ো পাতা তার মাথায় ভেঙে পড়ল।
ব্যাখ্যা: কলাগাছও তাকে তার কর্মের ফল দিল।
৪২. মাথায় কলা পাতা ভেঙে পড়ার পর সুখু কী বলে চিৎকার করল?
(ক) বাঁচাও বাঁচাও
(খ) মলাম মঁলাঁম
(গ) ওরে বাবারে
(ঘ) মাগো মা
উত্তর: (খ) মলাম মঁলাঁম।
ব্যাখ্যা: চন্দ্রবিন্দুযুক্ত স্বরে সে এমন চিৎকার করেছিল।
৪৩. বাড়ি ফিরে প্যাটরা খুলে সুখু কী পেল?
(ক) অনেক তুলা
(খ) সোনার গয়না
(গ) কোনো তুলাই পেল না
(ঘ) টাকা-পয়সা
উত্তর: (গ) কোনো তুলাই পেল না।
ব্যাখ্যা: লোভের শাস্তি হিসেবে তার বাক্স খালি ছিল।
৪৪. 'এক ছড়া কলা' বলতে কী বোঝায়?
(ক) একটি কলা
(খ) এক কাঁদি কলা
(গ) অর্ধেক কলা
(ঘ) কলার পাতা
উত্তর: (খ) এক কাঁদি কলা।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অনুযায়ী এর অর্থ এক কাঁদি কলা।
৪৫. 'প্যাটরা' শব্দের অর্থ কী?
(ক) বড় আলমারি
(খ) ছোট বাক্স
(গ) চটের বস্তা
(ঘ) কাপড়ের থলে
উত্তর: (খ) ছোট বাক্স।
ব্যাখ্যা: আগের দিনে জিনিস রাখার জন্য বাঁশ বা বেতের তৈরি ছোট বাক্স।
৪৬. দুখু চরিত্রের বৈশিষ্ট্য কেমন ছিল?
(ক) লোভী ও অহংকারী
(খ) অলস ও বোকা
(গ) পরিশ্রমী, বিনয়ী ও নির্লোভ
(ঘ) রাগী ও ঝগড়াটে
উত্তর: (গ) পরিশ্রমী, বিনয়ী ও নির্লোভ।
ব্যাখ্যা: সে সবার উপকার করত এবং তার মনে কোনো লোভ ছিল না।
৪৭. সুখু চরিত্রের প্রধান দোষ কী ছিল?
(ক) সে খুব বোকা ছিল
(খ) সে খুব লোভী ও অহংকারী ছিল
(গ) সে পরিশ্রমী ছিল
(ঘ) সে মিথ্যাবাদী ছিল
উত্তর: (খ) সে খুব লোভী ও অহংকারী ছিল।
ব্যাখ্যা: তার অহংকার ও লোভের জন্যই তার এই পতন হয়।
৪৮. এই গল্প থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?
(ক) বেশি লোভ করা ভালো
(খ) মানুষের বিপদে সাহায্য না করলেও চলে
(গ) লোভের পরিণাম খারাপ এবং পরিশ্রমীদের জয় হয়
(ঘ) অহংকার করা ভালো
উত্তর: (গ) লোভের পরিণাম খারাপ এবং পরিশ্রমীদের জয় হয়।
ব্যাখ্যা: দুখুর পুরস্কার ও সুখুর শাস্তি এই শিক্ষাই দেয়।
৪৯. বুড়ির শাড়ির রং কেমন ছিল?
(ক) লাল
(খ) নীল
(গ) সবুজ
(ঘ) সাদা
উত্তর: (ঘ) সাদা।
ব্যাখ্যা: বুড়ির চুল এবং শাড়ি দুটোই সাদা রঙের ছিল।
৫০. "আমি যাচ্ছি বুড়ির বাড়ি। তোমার কথা শুনতে আমার বয়েই গেছে!"—কথাটি কে কাকে বলেছিল?
(ক) দুখু ঘোড়াকে
(খ) সুখু বুড়িকে
(গ) সুখু ঘোড়াকে
(ঘ) সুখু কলাগাছকে
উত্তর: (গ) সুখু ঘোড়াকে।
ব্যাখ্যা: অহংকারী সুখু ঘোড়াকে অবজ্ঞা করে এ কথা বলেছিল।
প্রশ্ন ১: তাঁতির কয়টি মেয়ে ছিল এবং তাদের নাম কী?
উত্তর: তাঁতির দুটি মেয়ে ছিল। বড়ো মেয়ের নাম সুখু এবং ছোটো মেয়ের নাম দুখু।
প্রশ্ন ২: দুখু আর সুখুর মধ্যে কাজের পার্থক্য কেমন ছিল?
উত্তর: বড়ো মেয়ে সুখু ঘরের কোনো কাজ করত না, শুধু বসে বসে খেত। আর ছোটো মেয়ে দুখু ঘরের সব কাজ করত।
প্রশ্ন ৩: দুখু অবসর সময়ে বাবার জন্য কী করত?
উত্তর: দুখু সময় পেলে অবসর সময়ে বাবার জন্য সুতা কেটে দিত।
প্রশ্ন ۴: দুখুর তুলা কীভাবে উড়ে গিয়েছিল?
উত্তর: একদিন দুখু উঠানে তুলা রোদে দিয়ে বসেছিল, এমন সময় হঠাৎ দমকা বাতাস এসে তার তুলা উড়িয়ে নিয়ে যায়।
প্রশ্ন ৫: তুলা উড়ে যাওয়ার পর বাতাস দুখুকে কী বলল?
উত্তর: বাতাস বলল, "দুখু, কেঁদো না। আমার সাথে এসো। তোমাকে তুলা দেবো।"
প্রশ্ন ৬: কলাগাছ দুখুর কাছে কী সাহায্য চাইল?
উত্তর: কলাগাছ দুখুকে তাকে ঘিরে থাকা লতাপাতাগুলো একটু সরিয়ে দিতে অনুরোধ করল।
প্রশ্ন ৭: ঘোড়া দুখুকে কী করতে বলেছিল?
উত্তর: ঘোড়া দুখুকে তার জন্য কিছু কচি ঘাস কেটে দিতে বলেছিল।
প্রশ্ন ৮: বুড়ির বাড়িটি দেখতে কেমন ছিল?
উত্তর: বুড়ির বাড়িটি ছিল ধবধবে সাদা রঙের একটি সুন্দর বাড়ি।
প্রশ্ন ৯: বুড়ি ঘরের দাওয়ায় বসে কী করছিল?
উত্তর: বুড়ি ঘরের দাওয়ায় বসে আপন মনে চরকা কাটছিল।
প্রশ্ন ১০: বুড়ির চুল ও শাড়ির রং কেমন ছিল?
উত্তর: বুড়ির চুলগুলো দুধের মতো সাদা ছিল এবং তার গায়ে সাদা রঙের শাড়ি ছিল।
প্রশ্ন ১১: বুড়ি দুখুকে স্নান করার জন্য কী কী নিতে বলল?
উত্তর: বুড়ি দুখুকে ঘর থেকে গামছা ও কাপড় নিয়ে পুকুরে গিয়ে ডুব দিয়ে আসতে বা স্নান করতে বলল।
প্রশ্ন ১২: দুখু কী ধরনের গামছা ও কাপড় বেছে নিল?
উত্তর: দুখুর মনে কোনো লোভ ছিল না, তাই সে দামি কাপড় না নিয়ে সাধারণ একটি গামছা আর কাপড় বেছে নিল।
প্রশ্ন ১৩: পুকুরে ডুব দেওয়ার পর দুখুর কী পরিবর্তন হলো?
উত্তর: পুকুরে একটিমাত্র ডুব দিতেই অদ্ভুতভাবে দুখুর গা সোনার গয়নায় ভরে গেল।
প্রশ্ন ১৪: দুখু খাওয়ার ঘরে গিয়ে কী খেয়েছিল?
উত্তর: খাওয়ার ঘরে অনেক মজার খাবার থাকা সত্ত্বেও দুখু লোভ না করে শুধু একটু পান্তা ভাত খেয়েছিল।
প্রশ্ন ১৫: দুখু কতটুকু তুলা নিয়েছিল?
উত্তর: দুখু অবাক হলেও সব তুলা নেয়নি। বাতাস যতটুকু তুলা উড়িয়ে এনেছিল, সে ঠিক ততটুকুই প্যাটরায় ভরে নিয়েছিল।
প্রশ্ন ১৬: ফেরার পথে ঘোড়া দুখুকে কী উপহার দিল?
উত্তর: ফেরার পথে ঘোড়া দুখুকে একটি পঙ্খিরাজ ঘোড়ার বাচ্চা উপহার দিল।
প্রশ্ন ১৭: কলাগাছ দুখুকে কী দিল?
উত্তর: কলাগাছ দুখুকে মস্ত এক ছড়া সোনার কলা উপহার দিল।
প্রশ্ন ১৮: সুখু বুড়ির বাড়িতে গিয়ে বুড়িকে কী বলল?
উত্তর: সুখু বুড়িকে অবজ্ঞা করে বলল, "ও বুড়ি! তুই বসে বসে কী করছিস? আগে আমার জিনিস দে। তারপর সুতা কাটিস।"
প্রশ্ন ১৯: সুখু কেন পুকুরে বারবার ডুব দিয়েছিল?
উত্তর: সুখু ভেবেছিল বেশি বেশি ডুব দিলে সে বেশি বেশি গয়না পাবে, সেই লোভে সে বারবার ডুব দিয়েছিল।
প্রশ্ন ২০: প্যাটরা খুলে সুখু কী পেল?
উত্তর: বাড়িতে ফিরে ভারী প্যাটরা খুলে সুখু হতাশ হয়ে দেখল সেখানে কোনো তুলাই নেই।
প্রশ্ন ১: দুখু ও সুখুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলো নিজেদের ভাষায় লেখো।
উত্তর: দুখু এবং সুখু দুই বোন হলেও তাদের চরিত্র ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। দুখু ছিল অত্যন্ত পরিশ্রমী, বিনয়ী, পরোপকারী এবং নির্লোভ। সে ঘরের সব কাজ করত এবং সবার উপকারে এগিয়ে যেত। অন্যদিকে, সুখু ছিল অলস, অহংকারী, স্বার্থপর এবং প্রচণ্ড লোভী। সে কোনো কাজ করত না এবং মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করত।
প্রশ্ন ২: বাতাসের পিছু পিছু যাওয়ার পথে দুখু কীভাবে কলাগাছ ও ঘোড়াকে সাহায্য করেছিল?
উত্তর: বাতাসের পিছু পিছু যাওয়ার পথে দুখুর প্রথমে একটি কলাগাছের সাথে দেখা হয়। কলাগাছকে লতাপাতায় ঘিরে ধরেছিল। দুখু দাঁড়িয়ে যত্ন করে সেই লতাপাতাগুলো সরিয়ে দেয়। এরপর এক ঘোড়া তাকে ডাকলে, দুখু তার জন্য কচি ঘাস কেটে খেতে দেয়। এভাবেই সে পথে তাদের সাহায্য করেছিল।
প্রশ্ন ৩: বুড়ির বাড়িতে গিয়ে দুখু কী আচরণ করেছিল?
উত্তর: বুড়ির বাড়িতে পৌঁছে দুখু অত্যন্ত বিনয়ের সাথে নরম গলায় বুড়িকে জিজ্ঞেস করে, "বুড়ি মা, তুমি কেমন আছ?" সে বুড়ির নির্দেশমতো সাধারণ কাপড় নিয়ে পুকুরে স্নান করে, মজার খাবারের লোভ না করে কেবল পান্তা ভাত খায় এবং শুধু তার নিজের হারানো পরিমাণ তুলাই প্যাটরায় ভরে নেয়। তার এই নির্লোভ আচরণ সত্যিই প্রশংসনীয়।
প্রশ্ন ৪: দুখুর সততা ও নির্লোভ আচরণের সে কী কী পুরস্কার পেয়েছিল?
উত্তর: দুখু তার সততা, নির্লোভ ও পরোপকারী স্বভাবের জন্য অভাবনীয় পুরস্কার লাভ করে। পুকুরে ডুব দিলে তার শরীর সোনার গয়নায় ভরে ওঠে। ফেরার পথে ঘোড়া তাকে একটি পঙ্খিরাজ ঘোড়ার বাচ্চা দেয় এবং কলাগাছ তাকে মস্ত এক ছড়া সোনার কলা উপহার দেয়।
প্রশ্ন ৫: সুখুর তুলা উড়ে যাওয়ার পর তার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
উত্তর: দুখুর গয়না দেখে সুখুর মনেও লোভ জাগে। পরদিন সে চরকা কাটতে বসলে দমকা বাতাসে তার তুলা উড়ে যায়। তুলা উড়ে যাওয়ার পর সুখু কোনো দুঃখ না পেয়ে বরং বেশি সম্পদ পাওয়ার লোভে খুব দ্রুত বাতাসের পিছু পিছু ছুটতে শুরু করে।
প্রশ্ন ৬: যাওয়ার পথে সুখু কলাগাছ ও ঘোড়ার সাথে কেমন আচরণ করেছিল?
উত্তর: যাওয়ার পথে কলাগাছ সুখুকে ডাকলে সে অবজ্ঞা করে বলে যে তার কোনো সময় নেই। এরপর ঘোড়া তাকে ডাকলে সে কঠিন গলায় উত্তর দেয়, "আমি যাচ্ছি বুড়ির বাড়ি। তোমার কথা শুনতে আমার বয়েই গেছে!" অর্থাৎ সে কাউকে বিন্দুমাত্র সাহায্য না করে চরম অহংকার দেখিয়ে চলে যায়।
প্রশ্ন ৭: বুড়ির সাথে সুখু কেমন ব্যবহার করেছিল এবং বুড়ির প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
উত্তর: বুড়ির বাড়িতে গিয়ে সুখু চরম অভদ্রতা দেখায়। সে বুড়িকে অসম্মান করে বলে, "ও বুড়ি! তুই বসে বসে কী করছিস? আগে আমার জিনিস দে।" সুখুর এমন রূঢ় ও উদ্ধত কথা শুনে বুড়ি মনে খুব কষ্ট পায়, তবে তাকেও পুকুরে স্নান করতে ও খেতে বলে।
প্রশ্ন ৮: পুকুরে স্নান করতে গিয়ে সুখুর কী পরিণতি হয়েছিল?
উত্তর: সুখু সবচেয়ে দামি কাপড় ও গামছা নিয়ে পুকুরে স্নান করতে যায়। বেশি গয়না পাওয়ার লোভে সে পুকুরে ইচ্ছামতো বারবার ডুব দিতে থাকে। কিন্তু গয়না পাওয়ার বদলে তার সারা শরীর চুলকাতে শুরু করে এবং তার কণ্ঠস্বর বিকৃত হয়ে চন্দ্রবিন্দুযুক্ত নাকিস্বর হয়ে যায়।
প্রশ্ন ৯: বুড়ির ঘরে সুখু কীভাবে খাবার খেয়েছিল এবং কেমন তুলা নিয়েছিল?
উত্তর: বুড়ির খাবার ঘরে পায়েস ও পিঠার মতো মজার খাবার দেখে সুখু সেগুলো গপ গপ করে পেট ঢোল করে খেয়ে নেয়। এরপর তুলার ঘরে গিয়ে সে বিশাল এক প্যাটরা ভরে ইচ্ছামতো অনেক তুলা তুলে নেয়, যার ভারে সে কুঁজো হয়ে যায়।
প্রশ্ন ১০: ফেরার পথে সুখু কলাগাছ ও ঘোড়ার কাছ থেকে কী শাস্তি পেয়েছিল?
উত্তর: ফেরার পথে ঘোড়াকে অবজ্ঞা করার শাস্তি হিসেবে ঘোড়া তাকে সজোরে একটি লাথি মারে, যার ফলে সে ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে হাঁটতে থাকে। এরপর কলাগাছের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বড়ো পাতা তার মাথায় ভেঙে পড়ে, ফলে সে ব্যথায় 'মলাম মলাম' বলে চিৎকার করে ওঠে।
প্রশ্ন ১১: "লোভ মানুষকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়"—সুখু আর দুখু গল্পের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: এই উক্তিটি সুখুর জীবনের জন্য সম্পূর্ণ প্রযোজ্য। সুখু কেবল বেশি গয়না আর সম্পদের লোভে বুড়ির কাছে যায়। তার এই লোভের কারণেই সে কাউকে সাহায্য করেনি, বুড়ির সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে এবং বারবার ডুব দিয়ে শরীর চুলকানির শিকার হয়েছে। সবশেষে সে বাক্স ভরে তুলা আনলেও তা খালি পায়। তার এই পতন প্রমাণ করে লোভ মানুষকে ধ্বংস করে।
প্রশ্ন ১২: দুখু ও সুখুর পুকুরে স্নান করার ঘটনার তুলনা করো।
উত্তর: দুখু বিনয়ী ও নির্লোভ হওয়ায় সে সাধারণ কাপড় নিয়ে একবার ডুব দেয়, তাতেই তার শরীর সোনার গয়নায় ভরে যায়। অন্যদিকে সুখু ছিল লোভী, তাই সে দামি কাপড় নিয়ে বেশি গয়নার আশায় বারবার ডুব দেয়। ফলস্বরূপ তার গয়না জোটে না, বরং সারা শরীরে চুলকানি শুরু হয়।
প্রশ্ন ১৩: দুখু ও সুখুর খাওয়ার ঘরে বসে খাওয়ার দৃশ্য বর্ণনা করো।
উত্তর: বুড়ির খাওয়ার ঘরে দুখু অনেক মজার খাবার থাকা সত্ত্বেও লোভ করেনি, সে তৃপ্তির সাথে শুধু সামান্য পান্তা ভাত খায়। কিন্তু সুখু সেখানে পায়েস, পিঠা ও ভালো খাবার দেখে গপ গপ করে এতই খায় যে তার পেট ঢোলের মতো ফুলে যায়। এটি তাদের চারিত্রিক বৈপরীত্য স্পষ্ট করে।
প্রশ্ন ১৪: প্যাটরা খোলার পর সুখু ও তার পরিবারের কী অবস্থা হয়েছিল?
উত্তর: সুখু যখন বিশাল ভারী প্যাটরা নিয়ে বাড়িতে ফেরে, তখন তার বিকৃত কথা ও খোঁড়ানো হাঁটা দেখে পরিবারের সবাই থ হয়ে যায় বা অবাক হয়। আর যখন সে প্যাটরাটি খোলে, তখন দেখে যে ভেতরে কোনো তুলাই নেই। সুখুর এই চরম পরিণতি সবাইকে হতাশ করে।
প্রশ্ন ১৫: 'সুখু আর দুখু' গল্প থেকে আমরা কী নৈতিক শিক্ষা লাভ করি?
উত্তর: এই গল্প থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, মানুষের সাথে সর্বদা ভালো ও বিনয়ী আচরণ করতে হয়। অপরের বিপদে সাহায্য করলে তার প্রতিদান পাওয়া যায়। আর লোভ এবং অহংকার মানুষের জীবনে পতন ডেকে আনে। সৎ, পরিশ্রমী ও নির্লোভ মানুষেরই শেষ পর্যন্ত জয় হয়।
প্রশ্ন ১৬: কলাগাছ ও ঘোড়া কেন দুখুকে সোনার কলা ও পঙ্খিরাজ ঘোড়া উপহার দিয়েছিল?
উত্তর: কলাগাছ ও ঘোড়া উভয়েই বিপদে পড়েছিল। দুখু তার নিজের তুলা হারানোর কষ্টেও তাদের ডাক শুনে দাঁড়িয়েছিল এবং তাদের নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করেছিল। দুখুর এই পরোপকারী ও সহানুভূতিশীল আচরণের প্রতিদান হিসেবেই তারা খুশি হয়ে তাকে এসব অমূল্য উপহার দিয়েছিল।
প্রশ্ন ১৭: বুড়ি দুখুর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছিল কেন?
উত্তর: বুড়ি দুখুর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছিল কারণ দুখু বুড়ির কাছে এসে অত্যন্ত মিষ্টি ও নরম গলায় কথা বলেছিল। সে লোভ না করে সাধারণ কাপড় নিয়েছিল, পান্তা ভাত খেয়েছিল এবং শুধু নিজের হারানো তুলাই নিয়েছিল। তার এই বিনয় ও সততা বুড়ির মন জয় করেছিল।
প্রশ্ন ১৮: সুখুর কথা বলার স্বর কীভাবে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: সুখু অতিরিক্ত লোভের বশবর্তী হয়ে পুকুরে বারবার ডুব দেওয়ার ফলে তার সারা শরীরে চুলকানি শুরু হয়। এই লোভ ও অহংকারের শাস্তি হিসেবে শুধু তার শরীরই চুলকায়নি, তার কথা বলার স্বরও বিকৃত হয়ে যায়। প্রতিটি কথায় চন্দ্রবিন্দু যুক্ত হয়ে নাকিস্বর বের হতে থাকে (যেমন—আঁমাঁর সাঁরী শরীর)।
প্রশ্ন ১৯: সুখু ভারী প্যাটরা কাঁধে নিয়ে হাঁটতে পারছিল না কেন?
উত্তর: সুখু বুড়ির ঘর থেকে নিজের তুলার চেয়ে অনেক গুণ বেশি তুলা নিয়ে বিশাল এক প্যাটরা বোঝাই করেছিল। তার লোভ এতটাই প্রবল ছিল যে সে নিজের বহন করার ক্ষমতা বিবেচনা করেনি। অতিরিক্ত ওজনের কারণে সেই ভারী প্যাটরা কাঁধে নিতেই সে কুঁজো হয়ে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ২০: রূপকথার গল্প হিসেবে 'সুখু আর দুখু' কতটা সার্থক বলে তুমি মনে করো?
উত্তর: 'সুখু আর দুখু' একটি চমৎকার রূপকথার গল্প। এতে কথা বলা বাতাস, কলাগাছ, ঘোড়া এবং জাদুর পুকুরের মতো রূপকথার সব কাল্পনিক উপাদান রয়েছে। গল্পের শেষে ভালো কাজের জন্য অলৌকিক পুরস্কার (যেমন পঙ্খিরাজ ঘোড়া, সোনার কলা) এবং খারাপ কাজের জন্য শাস্তি দেখানো হয়েছে, যা রূপকথার চিরায়ত বৈশিষ্ট্য। তাই এটি একটি সার্থক রূপকথার গল্প।