অধ্যায়: পত্র লিখি
পঞ্চম শ্রেণি - বাংলা
✍️ ৩. শূন্যস্থান পূরণ
সেট-১ ⭐⭐⭐
- ক. আবেদনপত্র হলো বিশেষ এক ধরনের চিঠি।
- খ. কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে আবেদনপত্র লেখা হয়।
- গ. সাধারণত আবেদনপত্রে কোনো অনুরোধ জানানো হয়।
- ঘ. আবেদনপত্র যতটুকু সম্ভব ছোটো রাখতে হয়।
- ঙ. আবেদনপত্রে থাকে তারিখ, বরাবর, বিষয়, সম্বোধন, বক্তব্য, অনুরোধ, নিজের পরিচয়।
সেট-২ ⭐⭐
- চ. আবেদনপত্র লেখার সময় একদম শুরুতে তারিখ লিখতে হয়।
- ছ. যাঁর কাছে আবেদন করা হয়, তাঁর পদবি ও ঠিকানা বরাবর অংশে থাকে।
- জ. আবেদনপত্রে সম্মান জানাতে জনাব শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- ঝ. মূল কথাগুলো আবেদনপত্রের বক্তব্য অংশে লিখতে হয়।
- ঞ. চিঠি লেখা শেষে নিজের পরিচয় দিতে হয়।
🎯 ৪. বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ)
১. আবেদনপত্র এক ধরনের কী?
⭐⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: বইয়ের শুরুতেই বলা হয়েছে আবেদনপত্র হলো বিশেষ এক ধরনের চিঠি।
২. আবেদনপত্র কার কাছে লেখা হয়?
⭐⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদনপত্র লেখা হয়।
৩. আবেদনপত্রে সাধারণত কী জানানো হয়?
⭐⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: ছুটির বা অন্য কোনো প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানোই এর মূল কাজ।
৪. আবেদনপত্র যতটুকু সম্ভব কেমন রাখতে হয়?
⭐⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: আবেদনপত্রে বাড়তি কথা না লিখে বক্তব্য যতটুকু সম্ভব ছোটো ও সুনির্দিষ্ট রাখতে হয়।
৫. আবেদনপত্রের শুরুতে কী থাকে?
⭐⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: নিয়ম অনুযায়ী আবেদনপত্রের একদম উপরের বাঁ দিকে বা ডান দিকে প্রথমে তারিখ লিখতে হয়।
৬. আবেদনপত্রে কোন সময়ের তারিখ দিতে হয়?
⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: যেদিন আবেদনপত্রটি লেখা হচ্ছে বা জমা দেওয়া হবে, সেদিনের তারিখ দিতে হয়।
৭. যাঁর কাছে আবেদনপত্র প্রেরণ করা হবে তাঁর পদবি ও ঠিকানা কোন অংশে লিখতে হয়?
⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: বরাবর অংশে প্রাপকের পদবি ও ঠিকানা থাকে।
৮. আবেদনপত্র লেখার কারণ কোথায় উল্লেখ করতে হয়?
⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: বিষয় অংশে এক লাইনে পত্র লেখার মূল কারণ উল্লেখ করতে হয়।
৯. আবেদনপত্রে 'বিষয়' কেন লিখতে হয়?
⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: প্রাপক যেন সহজেই পত্রের উদ্দেশ্য বুঝতে পারেন তাই বিষয় লেখা হয়।
১০. আবেদনপত্রের একদম শেষে কোন অংশ থাকে?
⭐⭐💡 ব্যাখ্যা: আবেদনপত্রের শেষে নিবেদক হিসেবে নিজের নাম, শ্রেণি ও রোল লিখতে হয়।
১১. 'মঞ্জুর' শব্দের অর্থ কী?
⭐💡 ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে বলা হয়েছে মঞ্জুর মানে অনুমোদন করা হয়েছে এমন।
১২. 'সম্বোধন' করতে সাধারণত কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয়?
⭐💡 ব্যাখ্যা: সম্মান প্রদর্শনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক আবেদনপত্রে 'জনাব' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
১৩. আবেদনপত্রের বক্তব্য অংশে কী থাকে?
⭐💡 ব্যাখ্যা: বক্তব্য অংশে ছুটি বা অন্য যেকোনো প্রয়োজনীয় মূলকথাটি লেখা হয়।
১৪. 'নিবেদক' শব্দের অর্থ কী?
⭐💡 ব্যাখ্যা: যিনি আবেদনটি করছেন, পত্রের শেষে তিনি নিজেকে নিবেদক হিসেবে উল্লেখ করেন।
১৫. চিঠি লেখার সময় নিজের পরিচয় কোথায় দিতে হয়?
⭐💡 ব্যাখ্যা: আবেদনপত্রের একেবারে শেষে নিজের পরিচয় দিতে হয়।
১৬. নিচের কোনটি আবেদনপত্রের একটি অংশ নয়?
⭐💡 ব্যাখ্যা: আবেদনপত্রে গল্প লেখার কোনো সুযোগ নেই, এটি ছোট ও সুনির্দিষ্ট হয়।
১৭. 'দায়িত্বপ্রাপ্ত' বলতে কী বোঝায়?
⭐💡 ব্যাখ্যা: যিনি কোনো প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট দায়িত্বে আছেন তাকে দায়িত্বপ্রাপ্ত বলা হয়।
১৮. 'উক্ত' শব্দের অর্থ কী?
⭐💡 ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অনুযায়ী 'উক্ত' মানে যা আগে বলা হয়েছে বা উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯. আবেদনপত্রের বিষয় অংশটি কেমন হওয়া উচিত?
⭐💡 ব্যাখ্যা: বিষয় অংশটি এক লাইনে খুব স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত করে লিখতে হয়।
২০. 'বক্তব্য' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
⭐💡 ব্যাখ্যা: বক্তব্য মানে হলো নিজের কথা বা বিবৃতি যা পত্রে লেখা হয়।
🧠 ৫. সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
সংক্ষিপ্ত⭐⭐⭐
প্রশ্ন ১. আবেদনপত্র বলতে কী বোঝো?
উত্তর: আবেদনপত্র হলো বিশেষ এক ধরনের চিঠি। কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে আবেদনপত্র লেখা হয়। সহজ কথায় কোনো অনুরোধ জানিয়ে যখন আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লিখি তাকেই আবেদনপত্র বলা হয়।
সংক্ষিপ্ত⭐⭐⭐
প্রশ্ন ২. আবেদনপত্র কেন লেখা হয়?
উত্তর: সাধারণত কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে ছুটি চাওয়া, কোনো সাহায্য বা কোনো বিশেষ অনুরোধ জানাতে আবেদনপত্র লেখা হয়।
সংক্ষিপ্ত⭐⭐
প্রশ্ন ৩. আবেদনপত্রের আকার কেমন রাখতে হয়?
উত্তর: আবেদনপত্র যতটুকু সম্ভব ছোটো ও নির্দিষ্ট রাখতে হয়। এখানে বাড়তি বা অপ্রয়োজনীয় কোনো কথা লেখার সুযোগ নেই।
সংক্ষিপ্ত⭐⭐
প্রশ্ন ৪. আবেদনপত্রের বরাবর অংশে কী থাকে?
উত্তর: আবেদনপত্রের বরাবর অংশে যাঁর কাছে আবেদন করা হয় তাঁর পদবি ও ঠিকানা থাকে।
সংক্ষিপ্ত⭐⭐
প্রশ্ন ৫. কী লিখে আবেদনপত্রে সম্বোধন করা হয়?
উত্তর: সম্মান প্রদর্শনের জন্য সাধারণত ‘জনাব’ শব্দটি লিখে আবেদনপত্রে সম্বোধন করা হয়।
সংক্ষিপ্ত⭐
প্রশ্ন ৬. আবেদনপত্রের বক্তব্য অংশে কী থাকে?
উত্তর: আবেদনপত্রের বক্তব্য অংশে পত্র লেখকের আবেদনের মূলকথা বা বিস্তারিত কারণ লেখা থাকে।
সংক্ষিপ্ত⭐
প্রশ্ন ৭. আবেদনপত্রের একদম শেষে কোন অংশ থাকে এবং সেখানে কী লিখতে হয়?
উত্তর: আবেদনপত্রের একদম শেষে 'নিজের পরিচয়' অংশ থাকে। সেখানে নিবেদক হিসেবে পত্র লেখকের নাম, শ্রেণি, রোল নম্বর ইত্যাদি লিখতে হয়।
📚 ৬. বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
বর্ণনামূলক⭐⭐⭐
প্রশ্ন ১. আবেদনপত্রে কী কী থাকে? এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তর: আবেদনপত্রে কয়েকটি নির্দিষ্ট অংশ থাকে। যেমন:
• তারিখ: যেদিন আবেদনপত্র লেখা হয়, সেদিনের তারিখ।
• বরাবর: যাঁর কাছে আবেদন করা হয়, তাঁর পদবি ও ঠিকানা।
• বিষয়: কোন কারণে পত্রটি লেখা হচ্ছে, সেই বিষয়।
• সম্বোধন: ‘জনাব’ লিখে সম্বোধন।
• বক্তব্য: আবেদনের বক্তব্য বা মূলকথা।
• অনুরোধ: বক্তব্যটি মেনে নেওয়ার অনুরোধ।
• নিজের পরিচয়: পত্রটি যে লিখেছে, তার নাম-পরিচয়।
• তারিখ: যেদিন আবেদনপত্র লেখা হয়, সেদিনের তারিখ।
• বরাবর: যাঁর কাছে আবেদন করা হয়, তাঁর পদবি ও ঠিকানা।
• বিষয়: কোন কারণে পত্রটি লেখা হচ্ছে, সেই বিষয়।
• সম্বোধন: ‘জনাব’ লিখে সম্বোধন।
• বক্তব্য: আবেদনের বক্তব্য বা মূলকথা।
• অনুরোধ: বক্তব্যটি মেনে নেওয়ার অনুরোধ।
• নিজের পরিচয়: পত্রটি যে লিখেছে, তার নাম-পরিচয়।
বর্ণনামূলক⭐⭐⭐
প্রশ্ন ২. আবেদনপত্রের 'বিষয়' এবং 'সম্বোধন' অংশের গুরুত্ব বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: আবেদনপত্রে 'বিষয়' এবং 'সম্বোধন' খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 'বিষয়' লেখার মাধ্যমে এক নজরে চিঠি লেখার মূল কারণটি বোঝানো যায়। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রথমেই বিষয়টি দেখে বুঝতে পারেন চিঠিটি কেন লেখা হয়েছে। আর 'সম্বোধন' (যেমন- জনাব) অংশের মাধ্যমে চিঠির প্রাপকের প্রতি সম্মান ও শালীনতা প্রকাশ করা হয়, যা আনুষ্ঠানিক পত্রের একটি অত্যাবশ্যকীয় নিয়ম।
বর্ণনামূলক⭐⭐
প্রশ্ন ৩. আবেদনপত্রের 'বক্তব্য' এবং 'অনুরোধ' অংশে কী কী লেখা হয় তা বর্ণনা করো।
উত্তর: আবেদনপত্রের 'বক্তব্য' অংশটি হলো পত্রের মূল অংশ। এখানে পত্র লেখক তার সমস্যা বা কারণ (যেমন- অসুস্থতার জন্য ছুটি) বিস্তারিত কিন্তু সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করেন। আর 'অনুরোধ' অংশে উপরের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি মঞ্জুর করার বা সমাধান করে দেওয়ার জন্য বিনীতভাবে প্রার্থনা বা অনুরোধ জানানো হয়।
বর্ণনামূলক⭐⭐
প্রশ্ন ৪. একটি আদর্শ আবেদনপত্র লেখার নিয়মগুলো নিজের ভাষায় বর্ণনা করো।
উত্তর: একটি আদর্শ আবেদনপত্র লেখার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। প্রথমেই স্পষ্ট করে তারিখ লিখতে হয়। এরপর যার বরাবর চিঠি লেখা হচ্ছে তার সঠিক পদবি ও ঠিকানা দিতে হয়। বিষয়টিকে এক লাইনে পরিষ্কার করে লিখে 'জনাব' সম্বোধন করতে হয়। চিঠির মূল বক্তব্যটি বাড়তি কথা বাদ দিয়ে ছোটো ও গুছিয়ে লিখতে হয়। শেষে বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়ে নিজের সঠিক পরিচয় ও স্বাক্ষর দিয়ে পত্র শেষ করতে হয়।
বর্ণনামূলক⭐
প্রশ্ন ৫. আবেদনপত্র এবং সাধারণ চিঠির মধ্যে মূল পার্থক্যগুলো কী কী? বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: আবেদনপত্র এবং সাধারণ চিঠির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। আবেদনপত্র লেখা হয় কোনো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা কর্মকর্তার কাছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম (যেমন- বরাবর, বিষয়) মেনে চলতে হয় এবং ভাষা হতে হয় আনুষ্ঠানিক। এটি খুব সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট হয়। অন্যদিকে, সাধারণ চিঠি লেখা হয় আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবের কাছে। সাধারণ চিঠিতে আবেগ, অনুভূতি ও ব্যক্তিগত কথার বিস্তারিত বর্ণনা থাকে এবং এখানে 'বিষয়' বা 'বরাবর' অংশের প্রয়োজন হয় না।
✉️ ৭. চিঠি (আবেদনপত্র) লেখার নিয়ম ও উদাহরণ
নিচে একটি সহজ আবেদনপত্রের উদাহরণ দেওয়া হলো। এই আবেদনপত্রটি "অনুপস্থিতির জন্য ছুটি চেয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র"। পত্রটি ভালোভাবে পড়ার পর নিচে নম্বর দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কোন অংশের কাজ কী।
১৫ মে ২০২৬
বরাবর
প্রধান শিক্ষক
নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নীলফামারী।
বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন।
জনাব,
সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। গত ১২ই মে থেকে ১৪ই মে পর্যন্ত শারীরিক অসুস্থতার কারণে আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি।
অতএব, উক্ত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
নিবেদক
সুজানা শারমিন
শ্রেণি: পঞ্চম
রোল নম্বর: ১০
বরাবর
প্রধান শিক্ষক
নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নীলফামারী।
বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন।
জনাব,
সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। গত ১২ই মে থেকে ১৪ই মে পর্যন্ত শারীরিক অসুস্থতার কারণে আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি।
অতএব, উক্ত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
নিবেদক
সুজানা শারমিন
শ্রেণি: পঞ্চম
রোল নম্বর: ১০
আবেদনপত্রটির বিভিন্ন অংশের ব্যাখ্যা:
উপরের আবেদনপত্রটি কীভাবে লেখা হয়েছে, তা নিচে ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দেওয়া হলো:
১. তারিখ (১৫ মে ২০২৬): চিঠির একদম শুরুতে যেদিন চিঠি লেখা হচ্ছে সেদিনের তারিখ বসাতে হয়।
২. বরাবর (প্রধান শিক্ষক...): চিঠিটি যার কাছে লেখা হচ্ছে তার পদবি ও ঠিকানা। এখানে প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
৩. বিষয় (ছুটির আবেদন): চিঠির মূল কারণটি এক লাইনে লেখা হয়, যেন যিনি চিঠি পড়বেন তিনি প্রথমেই বুঝতে পারেন চিঠিটি কী উদ্দেশ্যে লেখা।
৪. সম্বোধন (জনাব): সম্মান প্রদর্শনের জন্য 'জনাব' লিখে চিঠি শুরু করতে হয়।
৫. বক্তব্য (সবিনয় নিবেদন এই যে...): এটি চিঠির মূল অংশ বা বডি। এখানে কেন ছুটি প্রয়োজন তার বিস্তারিত কারণ (যেমন: অসুস্থতা) বর্ণনা করা হয়েছে।
৬. অনুরোধ (অতএব, উক্ত...): বক্তব্য শেষে ছুটি মঞ্জুর করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো হয়।
৭. নিজের পরিচয় (নিবেদক...): চিঠি লেখা শেষে একদম নিচে নিজের নাম, শ্রেণি, রোল নম্বর ইত্যাদি তথ্য দিয়ে নিজের পরিচয় দিতে হয়।
১. তারিখ (১৫ মে ২০২৬): চিঠির একদম শুরুতে যেদিন চিঠি লেখা হচ্ছে সেদিনের তারিখ বসাতে হয়।
২. বরাবর (প্রধান শিক্ষক...): চিঠিটি যার কাছে লেখা হচ্ছে তার পদবি ও ঠিকানা। এখানে প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
৩. বিষয় (ছুটির আবেদন): চিঠির মূল কারণটি এক লাইনে লেখা হয়, যেন যিনি চিঠি পড়বেন তিনি প্রথমেই বুঝতে পারেন চিঠিটি কী উদ্দেশ্যে লেখা।
৪. সম্বোধন (জনাব): সম্মান প্রদর্শনের জন্য 'জনাব' লিখে চিঠি শুরু করতে হয়।
৫. বক্তব্য (সবিনয় নিবেদন এই যে...): এটি চিঠির মূল অংশ বা বডি। এখানে কেন ছুটি প্রয়োজন তার বিস্তারিত কারণ (যেমন: অসুস্থতা) বর্ণনা করা হয়েছে।
৬. অনুরোধ (অতএব, উক্ত...): বক্তব্য শেষে ছুটি মঞ্জুর করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো হয়।
৭. নিজের পরিচয় (নিবেদক...): চিঠি লেখা শেষে একদম নিচে নিজের নাম, শ্রেণি, রোল নম্বর ইত্যাদি তথ্য দিয়ে নিজের পরিচয় দিতে হয়।