বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৬ - ইচ্ছামতী
১ শব্দার্থ লিখন
  • ১. অর্ধেক: অর্ধেক। (অর্ধেক কথা দিনের বেলায়, অর্ধেক কথা রাতে)।
  • ২. ঘাটের ধাপ: ঘাটের সিঁড়ি।
  • ৩. ডাঙ্গা: তীর; শুকনো জায়গা।
  • ৪. দখিন ধারে: ডান দিকে।
  • ৫. নতুনতরো: অন্যরকম।
  • ৬. নাইতে: গোসল করতে।
  • ৭. বরন: বর্ণ; রং।
  • ৮. রাত্তির: রাতের বেলা।
  • ৯. ইচ্ছামতী: একটি নদীর নাম (যে নিজের ইচ্ছায় চলে)।
২ বাক্য গঠন (১০টি)
সেট ১ (৫টি)
ইচ্ছামতী | দখিন ধারে | নাইতে | রাত্তির | নতুনতরো
  • ইচ্ছামতী: কবির ইচ্ছা হয় তিনি যেন ইচ্ছামতী নদী হয়ে যান।
  • দখিন ধারে: নদীর দখিন ধারে সূর্য ওঠে।
  • নাইতে: গাঁয়ের মানুষ নদীর জলে নাইতে আসে।
  • রাত্তির: রাত্তিরে নদীর চারপাশ থমথম করে।
  • নতুনতরো: দূরের মানুষের বেশ নতুনতরো মনে হয়।
সেট ২ (৫টি)
ডাঙ্গা | ঘাটের ধাপ | অর্ধেক | বরন | চুপচাপ
  • ডাঙ্গা: ডাঙ্গার পানে চেয়ে চেয়ে নদী কলকল শব্দ করে।
  • ঘাটের ধাপ: জলের তলায় ঘাটের ধাপ তলিয়ে গেছে।
  • অর্ধেক: নদী অর্ধেক কথা দিনের বেলায় বলে।
  • বরন: সবুজ বরন ঘাস দেখতে খুব সুন্দর লাগে।
  • চুপচাপ: জলের নিচে ঘাটের ধাপে কারা যেন চুপচাপ বসে আছে।
৩ শূন্যস্থান পূরণকরণ (১০টি)
নির্দেশনা: উপরের বক্স থেকে সঠিক শব্দটিতে ক্লিক করলে তা নিচের ফাঁকা স্থানে বসে যাবে। ভুল হলে ফাঁকা স্থানের শব্দে ক্লিক করে সেটি মুছে ফেলা যাবে। সবগুলো পূরণ হয়ে গেলে 'উত্তর মেলাও' বাটনে ক্লিক করো।
সেট ১ (৫টি)
ইচ্ছামতী দখিন রাতে নাইতে রাশি বাম সাঁতার আলো
১. যখন যেমন মনে করি / তাই হতে পাই যদি / আমি তবে এক্ষুনি হই / _____ নদী।
২. রইবে আমার _____ ধারে / সূর্য ওঠার পার।
৩. আমি কইব মনের কথা / দুই পারেরই সাথে— / অর্ধেক কথা দিনের বেলায়, / অর্ধেক কথা _____।
৪. গাঁয়ের মানুষ চিনি, যারা / _____ আসে জলে।
৫. জলের উপর ঝলমলে! / টুকরো আলোর _____।
সঠিক উত্তর:
১. ইচ্ছামতী
২. দখিন
৩. রাতে
৪. নাইতে
৫. রাশি
সেট ২ (৫টি)
অন্ধকার মাঠে নতুনতরো ধাপ ছন ছন আলো পুরোনো জল
৬. বাঁয়ের ধারে সন্ধেবেলায় / নামবে _____।
৭. যখন ঘুরে ঘুরে বেড়াই / আপন গাঁয়ের ঘাটে / ঠিক তখনি যান গেয়ে যাই / দুচার মাঠে _____।
৮. দূরের মানুষ যারা তাদের / _____ বেশ।
৯. নিচের তলায় তলিয়ে যেথায় / গেছে ঘাটের _____।
১০. ডাঙ্গার পানে চেয়ে চেয়ে / করবে ঘা _____।
সঠিক উত্তর:
৬. অন্ধকার
৭. মাঠে
৮. নতুনতরো
৯. ধাপ
১০. ছন ছন
৪ বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর (৫০টি)
নির্দেশনা: সঠিক উত্তরে ক্লিক করো। উত্তর সঠিক হলে সবুজ এবং ভুল হলে লাল দেখাবে। উত্তর দেওয়ার পর নিচে ব্যাখ্যা দেখতে পাবে।
১. 'ইচ্ছামতী' কবিতাটি কে লিখেছেন?
(ক) জসীমউদ্দীন (খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গ) কাজী নজরুল ইসলাম (ঘ) সুকুমার রায়
উত্তর: (খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
ব্যাখ্যা: পাঠ্যবইয়ে কবিতাটির কবির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেওয়া আছে।
২. কবি কী হতে চান?
(ক) পাখি (খ) মেঘ (গ) ইচ্ছামতী নদী (ঘ) গাছ
উত্তর: (গ) ইচ্ছামতী নদী।
ব্যাখ্যা: কবিতায় কবি বলেছেন, "আমি তবে এক্ষুনি হই ইচ্ছামতী নদী।"
৩. 'ইচ্ছামতী' কী?
(ক) একটি মেয়ের নাম (খ) একটি নদীর নাম (গ) একটি গ্রামের নাম (ঘ) একটি ফুলের নাম
উত্তর: (খ) একটি নদীর নাম।
ব্যাখ্যা: ইচ্ছামতী একটি নদীর নাম, কবিতায় নদী হওয়ার বাসনা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. কবির দখিন ধারে কী রইবে?
(ক) অন্ধকার (খ) সূর্য ওঠার পার (গ) মেঘ (ঘ) গ্রাম
উত্তর: (খ) সূর্য ওঠার পার।
ব্যাখ্যা: "রইবে আমার দখিন ধারে সূর্য ওঠার পার।"
৫. 'দখিন ধারে' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
(ক) বাম দিকে (খ) ডান দিকে (গ) সোজা (ঘ) পিছনে
উত্তর: (খ) ডান দিকে।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে 'দখিন ধারে' অর্থ 'ডান দিকে' দেওয়া আছে।
৬. বাঁয়ের ধারে কী নামবে?
(ক) বৃষ্টি (খ) রোদ (গ) অন্ধকার (ঘ) কুয়াশা
উত্তর: (গ) অন্ধকার।
ব্যাখ্যা: "বাঁয়ের ধারে সন্ধেবেলায় নামবে অন্ধকার।"
৭. অন্ধকার কখন নামবে?
(ক) সকালে (খ) দুপুরে (গ) সন্ধেবেলায় (ঘ) রাতে
উত্তর: (গ) সন্ধেবেলায়।
ব্যাখ্যা: বাঁয়ের ধারে সন্ধেবেলায় অন্ধকার নামার কথা বলা হয়েছে।
৮. কবি কার সাথে মনের কথা কইবেন?
(ক) আকাশের সাথে (খ) দুই পারেরই সাথে (গ) নদীর সাথে (ঘ) পাখিদের সাথে
উত্তর: (খ) দুই পারেরই সাথে।
ব্যাখ্যা: "আমি কইব মনের কথা দুই পারেরই সাথে—"
৯. কবি কখন অর্ধেক কথা বলবেন?
(ক) দিনের বেলায় (খ) রাতে (গ) সকালে (ঘ) বিকালে
উত্তর: (ক) দিনের বেলায়।
ব্যাখ্যা: "অর্ধেক কথা দিনের বেলায়, অর্ধেক কথা রাতে।"
১০. বাকি অর্ধেক কথা কখন বলবেন?
(ক) দিনের বেলায় (খ) রাতে (গ) দুপুরে (ঘ) সন্ধেবেলায়
উত্তর: (খ) রাতে।
ব্যাখ্যা: দিনের বেলায় অর্ধেক এবং রাতে অর্ধেক কথা বলার কথা বলা হয়েছে।
১১. কবি যখন আপন গাঁয়ের ঘাটে ঘুরে ঘুরে বেড়ান, তখন কোথায় গান গেয়ে যান?
(ক) বনে বনে (খ) পাহাড়ে (গ) দুচার মাঠে মাঠে (ঘ) নদীতে
উত্তর: (গ) দুচার মাঠে মাঠে।
ব্যাখ্যা: "ঠিক তখনি যান গেয়ে যাই দুচার মাঠে মাঠে।"
১২. কবি কাদের চেনেন?
(ক) দূরের মানুষদের (খ) গাঁয়ের মানুষদের (গ) শহরের মানুষদের (ঘ) বিদেশের মানুষদের
উত্তর: (খ) গাঁয়ের মানুষদের।
ব্যাখ্যা: "গাঁয়ের মানুষ চিনি, যারা নাইতে আসে জলে।"
১৩. গাঁয়ের মানুষ নদীর জলে কী করতে আসে?
(ক) মাছ ধরতে (খ) নাইতে বা গোসল করতে (গ) কাপড় ধুতে (ঘ) সাঁতার কাটতে
উত্তর: (খ) নাইতে বা গোসল করতে।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে 'নাইতে' অর্থ 'গোসল করতে' দেওয়া আছে।
১৪. কারা সাঁতরে ওপার চলে?
(ক) মানুষ (খ) গোরু মহিষ নিয়ে যারা (গ) হাঁস (ঘ) মাছ
উত্তর: (খ) গোরু মহিষ নিয়ে যারা।
ব্যাখ্যা: "গোরু মহিষ নিয়ে যারা সাঁতরে ওপার চলে।"
১৫. দূরের মানুষদের বেশ কেমন?
(ক) সাধারণ (খ) নতুনতরো বা অন্যরকম (গ) চেনা (ঘ) পুরোনো
উত্তর: (খ) নতুনতরো বা অন্যরকম।
ব্যাখ্যা: "দূরের মানুষ যারা তাদের নতুনতরো বেশ।"
১৬. 'নতুনতরো' শব্দের অর্থ কী?
(ক) নতুন (খ) অন্যরকম (গ) পুরোনো (ঘ) চেনা
উত্তর: (খ) অন্যরকম।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে 'নতুনতরো' অর্থ 'অন্যরকম' দেওয়া আছে।
১৭. দূরের মানুষদের সম্পর্কে কবি কী জানেন না?
(ক) নাম এবং গ্রাম (খ) বয়স (গ) পেশা (ঘ) ধর্ম
উত্তর: (ক) নাম এবং গ্রাম।
ব্যাখ্যা: "নাম জানি নে, গ্রাম জানি নে অদ্ভুতের একশেষ।"
১৮. জলের উপর কী ঝলমল করে?
(ক) মাছ (খ) টুকরো আলোর রাশি (গ) চাঁদ (ঘ) তারা
উত্তর: (খ) টুকরো আলোর রাশি।
ব্যাখ্যা: "জলের উপর ঝলমলে! টুকরো আলোর রাশি।"
১৯. ঢেউয়ে ঢেউয়ে কী নাচছে?
(ক) নৌকা (খ) পরীর নাচন (গ) মাছ (ঘ) পাতা
উত্তর: (খ) পরীর নাচন।
ব্যাখ্যা: "ঢেউয়ে ঢেউয়ে পরীর নাচন, হাততালি আর হাসি।"
২০. জলের নিচে কী তলিয়ে গেছে?
(ক) নৌকা (খ) গাছ (গ) ঘাটের ধাপ (ঘ) পাথর
উত্তর: (গ) ঘাটের ধাপ।
ব্যাখ্যা: "নিচের তলায় তলিয়ে যেথায় গেছে ঘাটের ধাপ।"
২১. 'ঘাটের ধাপ' শব্দের অর্থ কী?
(ক) ঘাটের নৌকা (খ) ঘাটের সিঁড়ি (গ) ঘাটের মাটি (ঘ) ঘাটের পানি
উত্তর: (খ) ঘাটের সিঁড়ি।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে 'ঘাটের ধাপ' অর্থ 'ঘাটের সিঁড়ি' দেওয়া আছে।
২২. ঘাটের ধাপে কারা বসে আছে?
(ক) মানুষ (খ) মাছ (গ) সেখানের সবাই (ঘ) কেউ না
উত্তর: (গ) সেখানের সবাই।
ব্যাখ্যা: "সেইখানেতে কারা সবাই রয়েছে চুপচাপ।"
২৩. জলের নিচে তারা কেমনভাবে রয়েছে?
(ক) কথা বলছে (খ) চুপচাপ (গ) গান গাইছে (ঘ) হাসছে
উত্তর: (খ) চুপচাপ।
ব্যাখ্যা: তারা চুপচাপ বসে আছে।
২৪. তারা কোণে কোণে আপন মনে কী করছে?
(ক) ঘুমাচ্ছে (খ) খেলছে (গ) কী যে করছে তা কবি জানেন না (ঘ) কাঁদছে
উত্তর: (গ) কী যে করছে তা কবি জানেন না।
ব্যাখ্যা: "কোণে কোণে আপন মনে করছে তারা কী যে।"
২৫. কবি কী করবেন বলে ভয় পাচ্ছেন?
(ক) ডুবে যাবেন (খ) তাদের দিকে তাকালে কেমন ভয় করবে (গ) পথ হারাবেন (ঘ) কেউ বকবে
উত্তর: (খ) তাদের দিকে তাকালে কেমন ভয় করবে।
ব্যাখ্যা: "আমারি ভয় করছে কেমন তাকাতে সেই দিকে।"
২৬. 'ডাঙ্গা' শব্দের অর্থ কী?
(ক) নদী (খ) তীর বা শুকনো জায়গা (গ) পাহাড় (ঘ) বন
উত্তর: (খ) তীর বা শুকনো জায়গা।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে 'ডাঙ্গা' অর্থ 'তীর; শুকনো জায়গা' দেওয়া আছে।
২৭. ডাঙ্গার পানে চেয়ে চেয়ে নদী কী করবে?
(ক) গান গাইবে (খ) ঘুমাবে (গ) ঘা ছন ছন করবে (ঘ) হাসবে
উত্তর: (গ) ঘা ছন ছন করবে।
ব্যাখ্যা: "ডাঙ্গার পানে চেয়ে চেয়ে করবে ঘা ছন ছন।"
২৮. 'রাত্তির' শব্দের অর্থ কী?
(ক) সকাল (খ) দুপুর (গ) বিকাল (ঘ) রাতের বেলা
উত্তর: (ঘ) রাতের বেলা।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে 'রাত্তির' অর্থ 'রাতের বেলা' দেওয়া আছে।
২৯. 'বরন' শব্দের অর্থ কী?
(ক) গ্রহণ করা (খ) বর্ণ বা রং (গ) বারণ করা (ঘ) বড়
উত্তর: (খ) বর্ণ বা রং।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে 'বরন' অর্থ 'বর্ণ; রং' দেওয়া আছে।
৩০. গাঁয়ের লোকে চিনবে আমার কেবল—
(ক) নামখানি (খ) একটুখানি (গ) মুখখানি (ঘ) সুরখানি
উত্তর: (খ) একটুখানি।
ব্যাখ্যা: "গাঁয়ের লোকে চিনবে আমার কেবল একটুখানি।"
৩১. 'অর্ধেক' শব্দের অর্থ কী?
(ক) পুরো (খ) অর্ধেক (গ) একটু (ঘ) সব
উত্তর: (খ) অর্ধেক।
ব্যাখ্যা: শব্দার্থ অংশে এটি দেওয়া আছে।
৩২. বাকি কোথায় হারিয়ে যাবে তা কে জানে?
(ক) সবাই (খ) কেউ না (গ) আমিই সে কি জানি? (ঘ) গাঁয়ের লোক
উত্তর: (গ) আমিই সে কি জানি?
ব্যাখ্যা: "বাকি কোথায় হারিয়ে যাবে আমিই সে কি জানি?"
৩৩. একধারেতে মাঠে ঘাটে কী রঙের ঘাস?
(ক) নীল (খ) হলুদ (গ) সবুজ (ঘ) লাল
উত্তর: (গ) সবুজ।
ব্যাখ্যা: "একধারেতে মাঠে ঘাটে সবুজ বরন ঘাস,"
৩৪. আরেক ধারে বালুর চরে কী করছে?
(ক) রোদ (খ) রৌদ্র করে ধু ধু (গ) বৃষ্টি (ঘ) বাতাস
উত্তর: (খ) রৌদ্র করে ধু ধু।
ব্যাখ্যা: "আর একধারে বালুর চরে রৌদ্র করে ধু ধু।"
৩৫. দিনের বেলায় কী আসে?
(ক) রাত (খ) ঘুম (গ) হাওয়া (ঘ) রোদ
উত্তর: (গ) হাওয়া।
ব্যাখ্যা: "দিনের বেলায় হাওয়া আসে,"
৩৬. রাত্তিরে কেমন পরিবেশ থাকে?
(ক) কোলাহল (খ) থম থম (গ) ঝম ঝম (ঘ) শন শন
উত্তর: (খ) থম থম।
ব্যাখ্যা: "রাত্তিরে থম থম!"
৩৭. 'ইচ্ছামতী' কবিতাটি মূলত কীসের কবিতা?
(ক) মানুষের (খ) নদীর (গ) শিশুর কল্পনার (ঘ) পাহাড়ের
উত্তর: (গ) শিশুর কল্পনার।
ব্যাখ্যা: একটি শিশুর নদী হওয়ার কল্পনা এখানে প্রকাশ পেয়েছে।
৩৮. কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কী হিসেবে পরিচিত?
(ক) জাতীয় কবি (খ) বিশ্বকবি (গ) পল্লিকবি (ঘ) বিদ্রোহী কবি
উত্তর: (খ) বিশ্বকবি।
ব্যাখ্যা: তিনি বিশ্বকবি হিসেবে পরিচিত।
৩৯. 'নাইতে' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) খেতে (খ) ঘুমাতে (গ) গোসল করতে (ঘ) খেলতে
উত্তর: (গ) গোসল করতে।
ব্যাখ্যা: এটি গ্রাম্য শব্দ যার অর্থ গোসল করা বা স্নান করা।
৪০. 'দখিন' বলতে কোন দিক বোঝায়?
(ক) উত্তর (খ) দক্ষিণ বা ডান (গ) পূর্ব (ঘ) পশ্চিম
উত্তর: (খ) দক্ষিণ বা ডান।
ব্যাখ্যা: কবিতায় 'দখিন ধারে' মানে ডান দিকে।
৪১. পরীর নাচন কোথায় দেখা যায়?
(ক) আকাশে (খ) মাঠে (গ) ঢেউয়ে ঢেউয়ে (ঘ) গাছে
উত্তর: (গ) ঢেউয়ে ঢেউয়ে।
ব্যাখ্যা: ঢেউয়ের ওঠানামাকে পরীর নাচন বলা হয়েছে।
৪২. জলের তলায় কেমন পরিবেশ?
(ক) খুব আলোকিত (খ) খুব কোলাহল (গ) চুপচাপ (ঘ) খুব গরম
উত্তর: (গ) চুপচাপ।
ব্যাখ্যা: জলের নিচে সবকিছু চুপচাপ থাকে।
৪৩. 'নতুনতরো' বেশ কাদের?
(ক) গাঁয়ের মানুষদের (খ) দূরের মানুষদের (গ) পাখিদের (ঘ) জেলেদের
উত্তর: (খ) দূরের মানুষদের।
ব্যাখ্যা: দূরের অচেনা মানুষদের বেশভুষা নতুন বা অন্যরকম মনে হয়।
৪৪. গাঁয়ের মানুষদের কবি চেনেন কেন?
(ক) তারা কবির আত্মীয় (খ) তারা নাইতে আসে জলে (গ) তারা গান গায় (ঘ) তারা দূরের মানুষ
উত্তর: (খ) তারা নাইতে আসে জলে।
ব্যাখ্যা: প্রতিদিন যারা নদীর জলে গোসল করতে আসে, তাদের নদী চেনে।
৪৫. গোরু মহিষ নিয়ে তারা কীভাবে ওপার চলে?
(ক) নৌকায় (খ) সাঁতরে (গ) ব্রিজে (ঘ) উড়ে
উত্তর: (খ) সাঁতরে।
ব্যাখ্যা: "গোরু মহিষ নিয়ে যারা সাঁতরে ওপার চলে।"
৪৬. 'অদ্ভুতের একশেষ' বলতে কবি কাদের বুঝিয়েছেন?
(ক) গাঁয়ের মানুষদের (খ) দূরের মানুষদের (গ) পশুদের (ঘ) পাখিদের
উত্তর: (খ) দূরের মানুষদের।
ব্যাখ্যা: যাদের নাম-গ্রাম জানা নেই, তাদের অদ্ভুত মনে হয়েছে।
৪৭. 'হাততালি আর হাসি' কোথায় শোনা যায়?
(ক) নদীর ঢেউয়ে (খ) মাঠে (গ) বাড়িতে (ঘ) স্কুলে
উত্তর: (ক) নদীর ঢেউয়ে।
ব্যাখ্যা: ঢেউয়ের শব্দকে হাততালি আর হাসির সাথে তুলনা করা হয়েছে।
৪৮. 'ঘাটের ধাপ' কোথায় তলিয়ে গেছে?
(ক) মাটিতে (খ) নিচের তলায় (গ) আকাশে (ঘ) বালুতে
উত্তর: (খ) নিচের তলায়।
ব্যাখ্যা: নদীর পানির নিচে ঘাটের সিঁড়ি বা ধাপ তলিয়ে গেছে।
৪৯. 'ধু ধু' শব্দটি কীসের তীব্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) বৃষ্টির (খ) রৌদ্রের (গ) বাতাসের (ঘ) নদীর
উত্তর: (খ) রৌদ্রের।
ব্যাখ্যা: বালুর চরে রৌদ্রের তীব্রতা বোঝাতে 'ধু ধু' ব্যবহৃত হয়েছে।
৫০. 'ছন ছন' শব্দটি কী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) বৃষ্টির শব্দ (খ) নদীর গা ছমছম করার অনুভূতি (গ) বাতাসের শব্দ (ঘ) গানের সুর
উত্তর: (খ) নদীর গা ছমছম করার অনুভূতি।
ব্যাখ্যা: ডাঙ্গার দিকে তাকিয়ে নদীর যে অনুভূতি হয়।
৫ বিপরীত শব্দ ও সমার্থক শব্দ
বিপরীত শব্দ (১০টি)
প্রদত্ত শব্দবিপরীত শব্দ প্রদত্ত শব্দবিপরীত শব্দ
দিনরাতআলোঅন্ধকার
ডান (দখিন)বাঁচেনাঅচেনা
নতুনপুরোনোচুপচাপকোলাহল
আপনপরহাসেকাঁদে
নিচেউপরেঅর্ধেকপুরো / পূর্ণ
সমার্থক শব্দ (১০টি)
প্রদত্ত শব্দসমার্থক শব্দ
নদীস্রোতস্বিনী, তটিনী
সূর্যরবি, তপন, দিবাকর
অন্ধকারআঁধার, তিমির
রাতরজনী, নিশি
জলপানি, সলিল
মানুষমানব, লোক
গ্রামগাঁ, পল্লি
চোখনয়ন, নেত্র
আলোকিরণ, প্রভা
কথাবাক্য, বচন
৬ সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন (২০টি)
প্রশ্ন ১: 'ইচ্ছামতী' কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর: 'ইচ্ছামতী' কবিতাটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
প্রশ্ন ২: কবিতায় শিশুটি কী হতে চায়?
উত্তর: কবিতায় শিশুটির ইচ্ছে সে এক্ষুনি 'ইচ্ছামতী নদী' হয়ে যাবে।
প্রশ্ন ৩: 'ইচ্ছামতী' বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: 'ইচ্ছামতী' হলো একটি নদীর নাম, তবে কবিতায় এটি এমন এক নদীকে বোঝায় যে নিজের ইচ্ছামতো চলে।
প্রশ্ন ৪: নদী হলে শিশুটির দখিন ও বাঁয়ের ধারে কী থাকবে?
উত্তর: নদী হলে তার দখিন (ডান) ধারে সূর্য ওঠার পার থাকবে এবং বাঁয়ের ধারে সন্ধেবেলায় অন্ধকার নামবে।
প্রশ্ন ৫: নদী কার সাথে মনের কথা বলবে?
উত্তর: নদী তার দুই পারের সাথে মনের কথা বলবে।
প্রশ্ন ৬: নদী কীভাবে তার কথাগুলো ভাগ করে বলবে?
উত্তর: নদী অর্ধেক কথা দিনের বেলায় বলবে এবং বাকি অর্ধেক কথা রাতের বেলায় বলবে।
প্রশ্ন ৭: আপন গাঁয়ের ঘাটে ঘুরে ঘুরে নদী কোথায় গান গেয়ে যাবে?
উত্তর: আপন গাঁয়ের ঘাটে ঘুরে ঘুরে নদী দুচার মাঠে মাঠে গান গেয়ে যাবে।
প্রশ্ন ৮: নদী গাঁয়ের কোন মানুষদের চেনে?
উত্তর: গাঁয়ের যে মানুষেরা প্রতিদিন নদীর জলে নাইতে বা গোসল করতে আসে, নদী তাদের চেনে।
প্রশ্ন ৯: গোরু মহিষ নিয়ে গাঁয়ের মানুষ কীভাবে নদী পার হয়?
উত্তর: গোরু মহিষ নিয়ে গাঁয়ের মানুষ সাঁতরে নদীর ওপার চলে যায়।
প্রশ্ন ১০: দূরের মানুষদের বেশ কেমন এবং নদী তাদের সম্পর্কে কী জানে না?
উত্তর: দূরের মানুষদের বেশ নতুনতরো বা অন্যরকম এবং নদী তাদের নাম ও গ্রাম জানে না।
প্রশ্ন ১১: জলের উপর আলোর রাশি কেমন দেখাচ্ছে?
উত্তর: জলের উপর টুকরো আলোর রাশি ঝলমলে দেখাচ্ছে।
প্রশ্ন ১২: নদীর ঢেউকে কবি কিসের সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর: নদীর ঢেউকে কবি পরীর নাচন, হাততালি আর হাসির সাথে তুলনা করেছেন।
প্রশ্ন ১৩: ঘাটের ধাপ কোথায় তলিয়ে গেছে?
উত্তর: ঘাটের ধাপ বা সিঁড়ি নদীর জলের নিচের তলায় তলিয়ে গেছে।
প্রশ্ন ১৪: জলের নিচে পরিবেশ কেমন?
উত্তর: জলের নিচে পরিবেশ একদম চুপচাপ।
প্রশ্ন ১৫: জলের নিচের দিকে তাকাতে কবির কেমন অনুভূতি হয়?
উত্তর: জলের নিচে কারা যেন চুপচাপ বসে আছে ভেবে কবির তাকাতে ভয় করে।
প্রশ্ন ১৬: ডাঙ্গার পানে চেয়ে নদীর কী অনুভূতি হয়?
উত্তর: ডাঙ্গা বা শুকনো জায়গার পানে চেয়ে নদীর ঘা ছন ছন করে বা ভয় লাগে।
প্রশ্ন ১৭: গাঁয়ের লোক নদীর কতটুকু চিনবে?
উত্তর: গাঁয়ের লোক নদীর কেবল একটুখানিই চিনবে।
প্রশ্ন ১৮: একধারে মাঠে ঘাটে এবং অন্য ধারে বালুর চরে কী দেখা যায়?
উত্তর: একধারে মাঠে ঘাটে সবুজ বরন ঘাস দেখা যায় এবং অন্য ধারে বালুর চরে রৌদ্র ধু ধু করে।
প্রশ্ন ১৯: দিনের বেলা এবং রাতের বেলার পরিবেশ কেমন?
উত্তর: দিনের বেলায় হাওয়া আসে এবং রাতের বেলায় চারদিক থম থম করে।
প্রশ্ন ২০: 'নাইতে' ও 'ডাঙ্গা' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: 'নাইতে' অর্থ গোসল করতে বা স্নান করতে এবং 'ডাঙ্গা' অর্থ তীর বা শুকনো জায়গা।
৭ বিস্তৃত-উত্তর প্রশ্ন (১৫টি)
প্রশ্ন ১: 'ইচ্ছামতী' কবিতায় শিশুটির নদী হওয়ার ইচ্ছার কারণ কী?
উত্তর: শিশুদের মন সবসময় স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াতে চায়। নদী যেমন আপন ইচ্ছায় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বয়ে চলে, তার কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডি নেই, তেমনি শিশুটিও নদীর মতো স্বাধীন ও মুক্ত জীবন চায়। নদীর মতো সে দুই পারের মানুষের সাথে কথা বলতে চায়, মাঠে মাঠে গান গেয়ে ঘুরে বেড়াতে চায়। এই মুক্তির আনন্দ পাওয়ার জন্যই শিশুটি ইচ্ছামতী নদী হতে চায়।
প্রশ্ন ২: নদী হলে তার দুই পারের দৃশ্য কেমন হবে বলে কবি কল্পনা করেছেন?
উত্তর: কবি কল্পনা করেছেন, তিনি নদী হলে তার দখিন বা ডান ধারে থাকবে সূর্য ওঠার পার, যেখান থেকে প্রতিদিন সকালে সূর্য উঠবে। আর তার বাঁয়ের ধারে সন্ধেবেলায় ধীরে ধীরে অন্ধকার নেমে আসবে। নদীর এক ধারে থাকবে সবুজ ঘাসে ভরা মাঠ ও ঘাট, আর অন্য ধারে থাকবে বালুর চর যেখানে প্রখর রৌদ্র ধু ধু করবে।
প্রশ্ন ৩: নদী কাদের চেনে এবং কাদের চেনে না? কেন?
উত্তর: নদী আপন গাঁয়ের মানুষদের চেনে। কারণ গাঁয়ের মানুষেরা প্রতিদিন নদীর জলে নাইতে বা গোসল করতে আসে, গোরু মহিষ নিয়ে সাঁতরে ওপার যায়। প্রতিদিনের দেখায় তাদের সাথে নদীর এক গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু দূরের যেসব মানুষ আসে, যাদের বেশভূষা নতুন বা অন্যরকম, নদী তাদের চেনে না। সে তাদের নাম বা গ্রাম কিছুই জানে না, তাই তারা নদীর কাছে অদ্ভুত মনে হয়।
প্রশ্ন ৪: নদীর ঢেউয়ের সৌন্দর্য কবি কীভাবে বর্ণনা করেছেন?
উত্তর: নদীর ঢেউয়ের সৌন্দর্য বর্ণনায় কবি চমৎকার কল্পনার আশ্রয় নিয়েছেন। দিনের বেলায় নদীর জলের উপর সূর্যের আলো পড়ে তা টুকরো টুকরো আলোর রাশির মতো ঝলমল করে। তখন নদীর ছোট ছোট ঢেউগুলোকে কবির কাছে মনে হয় যেন পরীরা নাচছে এবং তাদের সেই নাচের সাথে হাততালি আর হাসির শব্দ শোনা যাচ্ছে।
প্রশ্ন ৫: জলের নিচের জগৎ সম্পর্কে কবির কল্পনা কেমন?
উত্তর: নদীর জলের উপরের রূপ ঝলমলে হলেও নিচের জগৎ সম্পর্কে কবির কল্পনা কিছুটা রহস্যময় ও ভয়ের। জলের নিচে ঘাটের ধাপগুলো তলিয়ে গেছে। কবির মনে হয়, সেই অন্ধকার গভীর তলায় কারা যেন চুপচাপ বসে আছে। তারা কোণে কোণে আপন মনে কী যে করছে তা কেউ জানে না। এই রহস্যময়তার কারণেই জলের নিচের দিকে তাকাতে কবির ভয় করে।
প্রশ্ন ৬: "আমি কইব মনের কথা দুই পারেরই সাথে"—কথাটির অর্থ বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: নদী যখন বয়ে চলে, তখন তার দুই পাশেই তীর বা পার থাকে। নদীর কলকল ধ্বনি শুনে কবির মনে হয়, নদী যেন তার দুই পারের সাথে কথা বলছে। কবি নদী হলে তিনিও তেমনি দুই পারের মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হবেন এবং অর্ধেক কথা দিনের আলোতে আর বাকি অর্ধেক কথা রাতের অন্ধকারে ভাগ করে নেবেন।
প্রশ্ন ৭: নদীর দিনের ও রাতের পরিবেশের বৈপরীত্য কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তর: কবিতায় নদীর দিনের ও রাতের পরিবেশের একটি চমৎকার বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে। দিনের বেলায় নদীর উপর আলোর রাশি ঝলমল করে, হাওয়া বয়, গাঁয়ের মানুষ নাইতে আসে এবং ঢেউয়ের হাসিখুশি শব্দ শোনা যায়। অন্যদিকে, রাতে বাঁয়ের ধারে অন্ধকার নামে, চারপাশ থম থম করে এবং জলের নিচের রহস্যময় জগৎ তখন আরও বেশি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
প্রশ্ন ৮: "গাঁয়ের লোকে চিনবে আমার কেবল একটুখানি"—কবি কেন এ কথা বলেছেন?
উত্তর: নদী অনেক দীর্ঘ হয় এবং বহু দূর পর্যন্ত বয়ে যায়। একটি গ্রামের মানুষ কেবল নদীর সেই অংশটুকুই দেখে যা তাদের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। নদীর উৎস কোথায়, সে কোথায় গিয়ে মিশবে বা তার বাকি অংশ কেমন, তা গাঁয়ের মানুষ জানে না। তাই কবি বলেছেন যে গাঁয়ের লোক তার কেবল একটুখানিই চিনবে, বাকি অংশ কোথায় হারিয়ে যাবে তা কেউ জানবে না।
প্রশ্ন ৯: 'নতুনতরো বেশ' এবং 'অদ্ভুতের একশেষ' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: নদীপথে অনেক দূরের অচেনা মানুষ যাতায়াত করে। তাদের পোশাক-আশাক, চালচলন গাঁয়ের পরিচিত মানুষদের চেয়ে আলাদা বা 'নতুনতরো' হয়। যেহেতু নদী তাদের নাম বা গ্রাম কিছুই জানে না, তাই এই সম্পূর্ণ অচেনা মানুষদের স্বভাব ও বেশভূষা নদীর কাছে অত্যন্ত বিস্ময়কর বা 'অদ্ভুতের একশেষ' বলে মনে হয়।
প্রশ্ন ১০: "ডাঙ্গার পানে চেয়ে চেয়ে করবে ঘা ছন ছন"—লাইনটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: 'ডাঙ্গা' মানে হলো শুকনো মাটি বা তীর। নদীর কাজ হলো বয়ে চলা, সে ডাঙ্গায় উঠতে পারে না। রাতের বেলা যখন চারপাশ থমথম করে, তখন ডাঙ্গার নির্জনতা ও স্থিরতার দিকে তাকিয়ে নদীর নিজেরই ভয় লাগতে পারে। অথবা, নদীর ঢেউ যখন তীরের মাটিতে আছড়ে পড়ে, তখন যে ছন ছন শব্দ হয়, তাকেই কবি নদী ভয় পাওয়ার অনুভূতি হিসেবে কল্পনা করেছেন।
৮ জোড়া শব্দ দিয়ে বাক্য বানাই
  • ১. চুপচাপ: জলের নিচে কারা যেন চুপচাপ বসে আছে।
  • ২. মাঠে ঘাটে: নদীর একধারে মাঠে ঘাটে সবুজ ঘাস দেখা যায়।
  • ৩. ধু ধু: দুপুরের কড়া রোদে বালুর চর ধু ধু করছে।
  • ৪. চেয়ে চেয়ে: ডাঙ্গার পানে চেয়ে চেয়ে নদীর গা ছন ছন করে।
  • ৫. থম থম: গভীর রাত্তিরে চারদিক থম থম করে।
  • ৬. ছন ছন: ভয়ে ছেলেটির গা ছন ছন করে উঠল।
  • ৭. ঝলমল: রোদের আলোয় নদীর জল ঝলমল করছে।
৯ পদ থেকে নাম-শব্দ খুঁজে লিখি
নাম-শব্দ (বিশেষ্য):
ইচ্ছামতী, নদী, সূর্য, পার, অন্ধকার, কথা, দিন, রাত, ঘাট, মাঠ, মানুষ, জল, গোরু, মহিষ, গ্রাম, আলো, পরী, বাপ (ঘাটের ধাপ অর্থে ধাপ), ডাঙ্গা, ঘাস, বালু, চর, রৌদ্র, হাওয়া।
১০ আমি যা হতে চাই সে সম্পর্কে লিখি
আমি বড় হয়ে একজন আদর্শ শিক্ষক হতে চাই। শিক্ষকতা একটি মহান পেশা। একজন শিক্ষক সমাজকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেন। আমি শিশুদের খুব ভালোবাসি এবং তাদের নতুন কিছু শেখাতে আমার খুব ভালো লাগে। আমি চাই গ্রামের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষাদান করতে, যাতে তারা বড় হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।
১১ ছড়াটি শেষ করি
দাদুর প্রিয় লাঠি
মিনির প্রিয় বাটি।
বাবার প্রিয় চশমাখানি,
মায়ের প্রিয় শাড়ি।
বোনের প্রিয় পুতুলখানা,
ভাইয়ের প্রিয় গাড়ি।
দাদির প্রিয় পানের বাটা,
দাদুর প্রিয় ঘড়ি।
(নোট: এই অংশটি সৃজনশীল, শিক্ষার্থীরা নিজেদের মতো করে মেলাতে পারে।)
১২ ভাষার খেলা
১. ঘটনাটি কোন সময়ের, তা বুঝে টিকচিহ্ন (✓) দিই:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন। -> আগেকার (✓)
আমরা সবাই মিলে মেলায় যাচ্ছি। -> এখনকার (✓)
সে চুপচাপ বসে বই পড়ছে। -> এখনকার (✓)
গতকাল এখানে এসেছিলে? -> আগেকার (✓)
আমি তোমাকে দেখতে পাচ্ছি না। -> এখনকার (✓)
তুমি কি আর কখনো এখানে আসবে না? -> পরের (✓)
২. গুণ ও বৈশিষ্ট্য লিখি:
ক. লোকটি খুব সৎ ও পরিশ্রমী। (লোকটি কেমন?)
খ. শরৎকালে আকাশে সাদা তুলোর মতো মেঘ দেখা যায়। (কেমন মেঘ?)
গ. দুটি ছোটো চড়ুই আমার বারান্দায় বসে রোদ পোহাচ্ছে। (কয়টি চড়ুই?)
ঘ. কচ্ছপটি খুব মন্থর গতিতে এগিয়ে চলেছে। (কীভাবে এগিয়ে চলেছে?)
ঙ. সে দ্রুত দৌড়ে গিয়ে ট্রেনে উঠল। (কীভাবে ট্রেনে উঠল?)
৩. শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করি:
দিয়ে: আমি কলম দিয়ে খাতায় লিখছি。
উপর: টেবিলের উপর একটি সুন্দর বই রাখা আছে。
কাছে: আমার কাছে একটি গল্পের বই আছে。
থেকে: আমি বাজার থেকে তাজা ফল কিনে এনেছি。
পানে: রাখাল ছেলে একদৃষ্টে আকাশের পানে চেয়ে আছে।
১৩ গদ্য অনুচ্ছেদের মূলভাব লিখন
অনুচ্ছেদ:
"আমি কইব মনের কথা দুই পারেরই সাথে— অর্ধেক কথা দিনের বেলায়, অর্ধেক কথা রাতে।... দূরের মানুষ যারা তাদের নতুনতরো বেশ, নাম জানি নে, গ্রাম জানি নে অদ্ভুতের একশেষ।"
মূলভাব:
উক্ত অনুচ্ছেদটিতে নদীর সাথে তার পারের মানুষ ও পরিবেশের নিবিড় সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে। নদী যেন তার দুই পারের সাথে সুখ-দুঃখের কথা ভাগ করে নেয়। নদীর ঘাটে যারা প্রতিদিন গোসল করতে আসে, নদী তাদের আপনজনের মতো চেনে। কিন্তু নদীপথে যাতায়াতকারী দূরের যেসব অচেনা মানুষ আসে, তাদের চালচলন ও বেশভূষা নদীর কাছে সম্পূর্ণ নতুন ও অদ্ভুত বলে মনে হয়।
১৪ প্রশ্ন তৈরি ও বিরামচিহ্ন প্রয়োগ (১০টি)
সেট ১: প্রশ্ন তৈরি (৫টি)
অনুচ্ছেদ: কবির ইচ্ছামতী নদী হতে ইচ্ছে করে। নদী হলে তার ডান ধারে সূর্য ওঠার পার থাকবে। সে দুই পারের সাথে মনের কথা বলবে। গাঁয়ের মানুষ নদীর জলে গোসল করতে আসে। রাতের বেলা চারদিক থম থম করে।
  • ১. (কী):
  • ২. (কোন):
  • ৩. (কার):
  • ৪. (কোথায়):
  • ৫. (কখন):
উত্তর:
১. কবির কী হতে ইচ্ছে করে?
২. নদী হলে তার কোন ধারে সূর্য ওঠার পার থাকবে?
৩. সে কার সাথে মনের কথা বলবে?
৪. গাঁয়ের মানুষ কোথায় গোসল করতে আসে?
৫. কখন চারদিক থম থম করে?
সেট ২: বিরামচিহ্ন প্রয়োগ (৫টি বাক্য)
  • প্রদত্ত অনুচ্ছেদ: আমি কইব মনের কথা দুই পারেরই সাথে অর্ধেক কথা দিনের বেলায় অর্ধেক কথা রাতে যখন ঘুরে ঘুরে বেড়াই আপন গাঁয়ের ঘাটে ঠিক তখনি যান গেয়ে যাই দুচার মাঠে মাঠে
  • সঠিক রূপ:
    আমি কইব মনের কথা
    দুই পারেরই সাথে—
    অর্ধেক কথা দিনের বেলায়,
    অর্ধেক কথা রাতে。
    যখন ঘুরে ঘুরে বেড়াই
    আপন গাঁয়ের ঘাটে,
    ঠিক তখনি যান গেয়ে যাই
    দুচার মাঠে মাঠে।